মাগুরা জেলার অভ্যুদয়

আমাদের আজকের আলোচনার বিষয় মাগুরা জেলার অভ্যুদয়।

মাগুরা জেলার অভ্যুদয়:-

 

মাগুরা জেলার অভ্যুদয়
শ্রীপুর জমিদার বাড়ি – মাগুরা জেলা

 

মাগুরা মহকুমা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর মিঃ কর্কবার্ণ ছিলেন প্রথম মহকুমা ম্যাজিস্ট্রেট। মাগুরা নিচু এলাকা থাকায় সহসাই জলমগ্ন হয়ে পড়ত। সামান্য উচু এলাকার এক অংশে হাট বসত এবং বাকী অংশে ছিল গ্রাম। কর্কবার্ণ গ্রামবসাীদের উচ্ছেদ করে অন্যত্র হাট বসানোর নির্দেশ দেন। তিনি বেশ ক’টি পুকুর খনন করে মাগুরা সদর উচু করে এরপর এস.ডি.ও হাতদেন মহকুমা ভবন তৈরীর কাজে।

প্রথম প্রশাসনিক ভবনটি বর্তমানে পুলিশ সুপার মাগুরার কার্যালয় সংলগ্ন উত্তর পার্শ্বে অবস্থিত ছিল। ভবনটি দৈর্ঘ ১২৩ হাত ও প্রস্থ বারান্দাসহ ১৮ হাত এবং দক্ষণমুখী অবস্থায় ছিল। এই অফিসের আশেপাশের জায়গায় গড়ে উঠে মহাকুমা শহর। পরবর্তিতে প্রশাসনিক কাজের সুবিধার্থে পাক সরকার কর্তৃক মহকুমা প্রশাসক মোঃ ফজলুল হাসান ইউসুফ সি.এস.পি সাহেবের সময় ১৯৬৮ সালে কলেজ রোডের পূর্ব পার্শ্বে বর্তমান স্থানে মহকুমা প্রশাসকের অফিসটি স্থানমত্মরিত ও পুনঃস্থাপিত হয়।

স্থানামত্মরের প্রায় তিন দশকের অধিককাল সাবেক মহকুমা অফিসটি পুরাতন কোর্ট বিল্ডিং নামে পরিচয় নিয়ে অতীত স্মৃতির কথা স্মরণ করিয়ে দিত। দীর্ঘদিন পরিত্যক্ত এই অফিস ভবনে একাধিক অফিসের কাজ চলত। পুলিশ সুপারের অফিস ভবন নির্মানের সময় মহকুমা প্রশাসকের এ অফিস ভেঙ্গে ফেলা হয়। ১৯৮৪ সাল পর্যমত্ম এ একতলা ভবনটিতে সকল মহকুমা প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালিত হতো এবং ১৯৮৪ সালের ১ মার্চ মাগুরা মহকুমাকে জেলায় উন্নীত করার পর মহকুমা প্রশাসকের এই অফিসটিই জেলা প্রশাসকের অফিসে পরিনত হয়।

পরবর্তিতে ১৯৯৮ সালে পুরাতন অফিস ভবনের সামনে জেলা প্রশাসকের অফিস ভবনের কাজশুরম্ন হয়। ২০০২ সালে নতুন ভবন নির্মিত হলে প্রশাসনের কার্যক্রম নতুন তিনতলা ভবনে স্থানামত্মরিত হয় এবং প্রশাসনের সকল কার্যক্রম বর্তমানে এখান থেকেই পরিচালিত হচ্ছে।

 

মাগুরা জেলার অভ্যুদয়
গড়াই সেতু – মাগুরা জেলা

Leave a Comment